ফতুল্লায় ট্রাক চালক হত্যা মামলায় গ্রেফতার হোসেন সরদার (৫০) একদিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২৪ মে) বিকেলে সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড চায়। পরে শুনানি শেষে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মো. কাউছার আলম একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদেশ আদেন। হোসেন সরদার ফতুল্লার শৈলকুইড়া এলাকার ভাড়াটিয়া মৃত ওসমান গণির ছেলে। কোর্ট পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. শাহীন জানিয়েছেন, হোসেনের বিরুদ্ধে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে আদালত ১ দিনের মঞ্জুর করেন। প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ২৯ ডিসেম্বর ফতুল্লা থেকে নিখোঁজ হয় ট্রাক চালক ইয়াকুব। নিখোঁজের পরদিন ট্রাক চালক ইয়াকুবের চাচা বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় একটি সাধারন ডায়েরি করেন। নিখোঁজের পাঁচ দিন পর চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের ২ তারিখ রাতে ফতুল্লার আলীগঞ্জস্থ জামান মিয়ার ঘাট সংলগ্ন নদীর তীরবর্তী স্থান থেকে ট্রাক চালক ইয়াকুবের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। লাশ উদ্ধারের পর পর নিহতের স্বজনেরা হত্যা মামলা করতে চাইলে পুলিশ হত্যা মামলা গ্রহন না করে অপমৃত্যু মামলা হিসেবে গ্রহন করে। শুরু থেকে নিহত ট্রাক চালক ইয়াকুবের স্বজনেরা হত্যা করার বিষয়টি বলে আসলেও পুলিশ তা আমলে নেয়নি। পরে এনিয়ে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর প্রশাসনের উপরি মহলের নির্দেশে নড়েচড়ে বসে তরিগড়ি করে হাসপাতাল থেকে ময়না তদন্তের রিপোর্ট নিয়ে এসে সাত মার্চ গ্রেফতার করে তিনজনকে। গ্রেফতারের পরপর তিনজনকে ছাড়িয়ে নিতে চলে আসে দাপার বহু অপকর্মের হোতা টিক্কা। এক পর্যায়ে সাংবাদিকদের দেখে সটকে পরে টিক্কা। পরদিন রাতে নিহত ইয়াকুবের স্ত্রী বাদী হয়ে ট্রাক মালিক ইব্রাহিম, হোসেন সর্দার, আলু কামাল, মাডা সেন্টু, মনির, রহমান, তুহিন বাবু, ইকবাল ও বিল্লালের নাম উল্লেখ্য সহ অজ্ঞাত তিনজনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।
আপনার মতামত কমেন্টস করুন